বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে উপমন্ত্রীর সহায়তায় ঘর পেলেন ১৩৯টি পরিবার

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে উপমন্ত্রীর সহায়তায় ঘর পেলেন ১৩৯টি পরিবার

বাংলাদেশ পা‌নি সম্পদ উপমন্ত্রী ও শরীয়তপুর-২ আস‌নের সংসদ সদস্য একেএম এনামুল হক শামীমের উদ্যোগে সরকারের ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ঘর পেল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় দূর্যোগ সহনীয় ১৩৯ টি অসহায় পরিবার।সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশিতে কেঁদে ফেলেন হতদরিদ্র এসব পরিবারের সদস্যরা। এই সঙ্গে বর্তমান সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সখিপুরে ১০৩ টি ও ভেদরগঞ্জে হতদরিদ্রদের দুর্দশা লাঘবে ‘যার জমি আছে, ঘর নাই’ ও দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি সহ মোট ১৩৯ টি ঘরের নির্মাণ কাজ হাতে নেওয়া হয়। করোনা দুর্যোগের কারণে কাজের কিছুটা বিলম্ব হলেও চলতি জুলাই মাসে সকল মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সরকারি ঘর পাওয়া একাধিক পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় ও তুফানে অনেক কষ্টে ভাঙাচোরা ঘরে দীর্ঘদিন বসবাস করেছি আমরা। পাকা বাড়ি নির্মাণ করা তো দূরের কথা আমাদের অনেকের সংসারই চলে না ঠিকমতো। কখনো কল্পনাও করিনি সরকার আমাদের পাকা বাড়ি বানিয়ে দেবে। এমন অবস্থায় নতুন বাড়ি পেয়ে আমরা খুশি এবং আনন্দিত এনামুল হক শামীমের জন্য আমরা আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া করব, তিনি আজীবন মন্ত্রী থাকুক।

এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় গত জানুয়ারী মাস থেকে এ ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯শত টাকা। মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামূল হক শামীম এর সরাসরি হস্তক্ষেপে ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৯টি ইউনিয়নে অধিক বরাদ্দ লাভের কারণে ঘর নির্মাণের পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে।ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন,সরকারের ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নের আওতায় হয়েছে। এসব ঘর ভুক্তভোগীদের বুঝিয়ে দেয়া হবে। আগামীতে ঘরের পরিমাণ বাড়ানো হলে প্রান্তিক মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য