সোমবার, ১৪ই জুন, ২০২১ ইং, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ১৪ই জুন, ২০২১ ইং, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ১৪ই জুন, ২০২১ ইং

শরীয়তপুরে পুলিশের প্রচেষ্টায় বাঁচলো প্রসূতি নারীর প্রাণ”

শরীয়তপুরে পুলিশের প্রচেষ্টায় বাঁচলো প্রসূতি নারীর প্রাণ”

শরীয়তপুর পালং মডেল থানার ডিউটি অফিসারের সরকারি মোবাইলে 999 হতে ফোন আসে সদর এলাকার নাসিং হোম ক্লিনিকে এক প্রসূতি নারীর ভর্তি নিচ্ছে না,ফলে প্রসূতি নারীর জীবন সংকটাপন্ন এবং বিষয়টি দ্রুত ব‍্যবস্থা নিতে বললে আমাদের থানার নৈশ মোবাইল টিমের অফিসার এস,আই, আমিনুল ইসলামকে তৎক্ষণাৎ বিষয়টি ডিউটি অফিসার বললে এস আই আমিনুল ইসলাম নাসিং হোম ক্লিনিকে যাইয়া

প্রসূতি নারী মোসাঃ লিমা(২৫), স্বামী – আঃ লতিফ, সাং-স্বর্ণঘোষ,থানা-পালং,জেলা-শরীয়তপুরকে খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় পায়। ক্লিনিক কতৃপক্ষ তখনও ভর্তি
নেয় নাই তাহাদের ডাক্তার নাই বলে। বিষয়টি আমাকে অবগত করিলে আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহিত কথা বলে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নিতে বলি।অফিসার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করে জানতে পারে ডাক্তারকে তাহারা ফোনে পাচ্ছে না। এমতাবস্থায়
অফিসার নিজেও ডাক্তারকে মোবাইলে চেষ্টা করে কিন্তু যোগাযোগ করতে ব‍্যর্থ হয়। এদিকে প্রসূতি মায়ের অবস্থা আরো সংকটাপন্ন তীব্র প্রসব বেদনার কাতরাচ্ছিল এবং প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। অফিসার কোন উপায়ান্তর না দেখে হাসপাতালের একজন কর্মচারী নিয়ে ৫ কি.মি. দূরে স্বর্ণ ঘর এলাকায় ডাক্তারের বাসার উদ্দেশে রওয়ানা করেন । অতপর
ডাক্তার সাহেবকে পাইয়া প্রসূতি নারী প্রসব জটিলতার ভুগছে এবং রোগীর খুব সম্ভবত সিজারের প্রয়োজন হবে তা ডাক্তারকে বুঝান। তখন রাত ২.৩০ ঘটিকা হওয়ার ডাক্তারের স্ত্রী একটু চেচামেচি করতে ছিল কিন্তু ডাক্তার সাহেব গুরুত্ব বুঝতে পেরে পুলিশ পিকআপ ভ‍্যানে চড়ে ক্লিনিকে এসে
প্রসূতি নারীকে অপারেশন
থিয়েটারে নিয়ে গিয়ে সিজার ডেলিভারি করান। আর লিমার কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে এক পূত্র সন্তান।পরে ভোর ৫.০০ টার সময় ডাক্তার সাহেবকে ধন‍্যবাদ জ্ঞাপন করে পুলিশ অফিসার নিজে পূর্ণরায় পুলিশ পিকআপ ভ‍্যানে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন।
”ডিউটিকালীন পুলিশ মানবিক পুলিশ হিসেবে এই রকম অসংখ্য ভাল কাজ করে অসহায় মানুষের সেবা
দিয়ে আসছে ”

মন্তব্য করুন

মন্তব্য